•  Mobile: +8801783043161  E-mail: contact@ourrangpur.com
  • ভৌগলিক ও অর্থনৈতিক

    রংপুর জেলার ভৌগোলিক সীমানা

    রংপুর জেলার ভৌগোলিক সীমানা

    রংপুর জেলা ২৫৹০৩˝থেকে ২৯৹৩২˝ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত ।রংপুর শহরের মোট আয়তন ২৩০৮ বর্গ কিমি ।
    মোট উপজেলা সংখ্যা ৮টি, রংপুর জেলায় মোট ইউনিয়ন সংখ্যা ৩৮টি, ১৪৫৫টি মৌজা এবং সিটি কর্পোরেশন ১ টি,
    পৌরসভা রয়েছে ৩টি এসব নিয়ে রংপুর জেলা গঠিত।রংপুর জেলার উত্তরে লালমনিরহাট ওতিস্তা নদী, দক্ষিণে রয়েছে
    গাইবান্ধা ও দিনাজপুর জেলা, পূর্বে গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলা এবং পশ্চিমে দিনাজপুর ও নীলফামারী জেলা
    অবস্থিত।তিস্তা নদী উত্তর ও উত্তর পূর্ব সীমান্তকে লালমনিরহাট এবং কুড়িগ্রাম জেলা থেকে আলাদা করেছে। রংপুর জেলাকে
    বৃহত্তর বঙ্গপ্লাবন ভূমির অংশ মনে করা হয়। কিন্তু ভূতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে এর গঠন দেশের অন্যান্য জেলা থেকে আলাদা
    রংপুর জেলার ভৌগোলিক সীমানা
    রংপুর জেলার ভূগঠন অতীতে উত্তরাঞ্চল প্রবাহমান কযয়েকটি নদীর গতিপথ পরিবর্তন এবং ভূকম্পনজনিত ভুমি উত্তোলনের
    সাথে জড়িত।লালমনিরহাটের তিস্তা নদীর আদি গতিপথ পরিবর্তন ছিল রংপুর জেলার ভূমি গঠনের ক্ষেত্রে অতি গুরুত্বপূর্ণ।
    তিস্তা নদী ১৭৮৭ সালের পূর্বে গঙ্গানদীর একটি উপনদী ছিল।তিস্তা সিকিম বা হিমালয়ে পরিচিত রাংগু ১৭৮৭ সাল পর্যন্ত
    দিনাজপুর জেলার নিকট আত্রাই নদী এর সাথে মিলিত হয়ে নিম্ন গঙ্গা নদীতে পতিত হতো। ১৮শ শতকে তিস্তা, আত্রাই
    নদীর পথ ধরে গঙ্গা ও বিছিন্ন কিছু খাল বিলের মাধ্যমে ব্রহ্মপুত্র, উভয় কিছু নদীর সাথে ঋতু ভিত্তিক সংযোগ করত।
    অপর নদী ধরলা তিস্তা থেকে নিম্ন হিমালয় অঞ্চল বৃহত্তর রংপুর জেলার পূর্ব দিক দিয়ে (বর্তমান কুড়িগ্রাম) ব্রহ্মপুত্র নদে
    মিলিত হয়েছে।রংপুরের ঘাঘট এ জেলার অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ নদ । ঘাঘট তিস্তার গর্ভ থেকে উৎপন্ন হয়ে রংপুর জেলার
    মধ্য দিয়ে দক্ষিণে গাইবান্ধা জেলা অতিক্রম করে করতোয়া নদীতে পতিত হয়। আত্রাই নদী এ সময়
    করতোয়া ও গঙ্গার মধ্যে সংযোগ রক্ষা করত।

    সূত্র:উইকিপিডিয়া ও Mojidul Islam

    Leave a Reply

    Close